
বিয়ানীবাজারে মাত্র ৬ ঘন্টার ব্যবধানে পৃথক দুর্ঘটনায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টায় উপজেলার চারখাইয়ে ট্রাক চাপায় মোটর সাইকেল আরোহী এবং একইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেওলা সেতু টোল এলাকায় ট্রাক চাপায় এক চালকের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়েছে।
চারখাইয়ে সকালে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আবু বকর সাইফুল্লাহ (১৬) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। তার বাড়ি মাথিউরা ইউনিয়নের দদুধবকশী গ্রামে। এ ঘটনায় রাইহান আহমদ (২০) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে সিলেট প্রেরণ করা হয়। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বিয়ানীবাজার উপজেলার সাচান এলাকার সিলেট-জকিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের কাঠলী ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত আবু বকর সাইফুল্লাহ বিয়ানীবাজারের মাথিউরা ইউনিয়নের দুধবকশী গ্রামের মিছবাহ উদ্দিনের ছেলে। সে বর্তমানে দাসগ্রাম এলাকায় পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় থাকত। আহত রাইহান আহমদ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার মাইজগ্রামের জামাল আহমদের ছেলে। সে-ও বর্তমানে দাসগ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করছে।
এদিকে শুক্রবার সাড়ে ১১টার দিকে আম বোঝাই পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফখরুল ইসলাম (৪৮) নামে এক পথচারীকে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন। উপজেলার শেওলা সেতুর টোল এলাকায় সংলগ্ন রাজমহলের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফখরুল ইসলাম পেশায় পরিবহন চালক। তিনি উপজেলার মেওয়া (বর্তমানে নয়া দুবাগ) এলাকার মৃত হারিছ উদ্দিনের ছেলে।
জানা গেছে, ফখরুল ইসলাম শেওলা ব্রিজের পূর্ব পাড়ের টোল এলাকার রাজমহলের সামনে পাকা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় সিলেট থেকে বিয়ানীবাজারগামী একটি পিকআপ ভ্যান (রেজিঃ ঢাকা মেট্রো- ঠ-১১-০৭০০..) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ফখরুল ইসলামকে চাপা দেয়। পিকআপের চাকায় পিষ্ট হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় জনতা রক্তাক্ত অবস্থায় ফখরুল ইসলামকে উদ্ধার করে দ্রুত বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে নিহতের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।